যতবেশি খেলবেন, ততবেশি পাবেন – 398 BDT-এর ভিআইপি প্রোগ্রামের মূল কথা এটুকুই। নিয়মিত বেটিংয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জন করুন, ধাপে ধাপে উপরের স্তরে উঠুন এবং প্রতিটি স্তরে পান বিশেষ সুবিধা যা সাধারণ সদস্যরা পান না।
398 BDT-এর পাঁচটি ভিআইপি স্তর – প্রতিটিতে আলাদা সুবিধা ও পুরস্কার
প্রতিটি বেটে পয়েন্ট জমা হয়, পয়েন্ট বাড়লে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্তর উন্নত হয়
প্রতি ৳১০০ বেটে ১ পয়েন্ট অর্জিত হয়। স্তর একবার অর্জিত হলে সেই মাসে কোনো কারণে কমে না।
398 BDT ভিআইপি হলে যা পাবেন সাধারণ সদস্যরা পান না
প্রতি সপ্তাহে নেট লসের উপর ৫% থেকে ২০% পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাবেন। খারাপ সপ্তাহেও কিছুটা ফেরত পাওয়ার নিশ্চয়তা শুধু ভিআইপি সদস্যরাই পান।
সিলভার থেকে শুরু করে প্রতিটি স্তরে অডস বুস্ট পাবেন। বছরে হাজারো বেটের হিসেবে এই ২-১০% পার্থক্য মোট আয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
গোল্ড স্তর থেকে আপনার নিজস্ব ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাবেন। যেকোনো প্রশ্নে বা সমস্যায় সরাসরি তার সাথে যোগাযোগ করুন।
ভিআইপি সদস্যরা উইথড্রয়াল প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার পান। এলিট সদস্যদের তাৎক্ষণিক পেমেন্ট দেওয়া হয় – অপেক্ষার ঝামেলা নেই।
প্রতিটি ভিআইপি সদস্যের জন্মদিনে বিশেষ বোনাস পাঠানো হয়। ঈদ ও উৎসবেও ভিআইপিদের জন্য আলাদা প্রমোশনাল অফার থাকে।
নির্দিষ্ট ভিআইপি স্তরের সদস্যদের জন্য আলাদা টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয় যেখানে পুরস্কারের পরিমাণ অনেক বেশি এবং প্রতিযোগী কম।
অনেক বেটিং প্ল্যাটফর্মে ভিআইপি বলতে বোঝায় শুধু একটা নামকাওয়াস্তে লেবেল – আসলে কোনো সুবিধা নেই। 398 BDT-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটা সেদিক থেকে আলাদা। এখানে প্রতিটি স্তরে সুবিধার বাস্তব পার্থক্য আছে এবং সেটা সদস্যরা প্রতিদিন নিজের অ্যাকাউন্টে অনুভব করতে পারেন।
ভিআইপি প্রোগ্রামটি মূলত সেই সদস্যদের জন্য যারা নিয়মিতভাবে 398 BDT-এ বেটিং করেন। আপনি যদি সপ্তাহে দুই-তিনবার ক্রিকেট বা ফুটবলে বেট করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই পয়েন্ট জমতে থাকে এবং কিছুদিনের মধ্যে ব্রোঞ্জ স্তরে পৌঁছে যান। এরপর থেকে প্রতি সপ্তাহে ক্যাশব্যাক পাওয়া শুরু হয়।
গাজীপুরের নাসিম ভাই বলছিলেন তার অভিজ্ঞতার কথা। তিনি প্রায় তিন মাস ধরে 398 BDT-এ নিয়মিত ক্রিকেট বেটিং করছিলেন কিন্তু ভিআইপি প্রোগ্রাম সম্পর্কে বেশি জানতেন না। একদিন ড্যাশবোর্ডে দেখলেন সিলভার স্তরে উঠে গেছেন এবং সেই সপ্তাহে একটু কম জিতেছিলেন বলে ৩৫০ টাকার ক্যাশব্যাক ঢুকেছে। সেদিন থেকে তিনি ভিআইপি প্রোগ্রামের প্রতি মনোযোগী হয়েছেন।
"ক্যাশব্যাকটা আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে। খারাপ সপ্তাহেও কিছুটা ফেরত আসে – এটা মনে একটা স্বস্তি দেয়। 398 BDT-এ এই সুবিধাটা সত্যিকার অর্থেই কাজ করে।"
– নাসিম হোসেন, গাজীপুর, সিলভার ভিআইপি সদস্যপয়েন্ট অর্জনের নিয়ম সহজ – যত বেশি খেলবেন তত দ্রুত এগোবেন
প্রতি ৳১০০ বেটে ১ পয়েন্ট। ক্রিকেট, ফুটবল বা যেকোনো স্পোর্টসে বেট করলে সমানভাবে পয়েন্ট যোগ হয়।
লাইভ ব্যাকারেট, রুলেট বা ব্ল্যাকজ্যাকে প্রতি ৳৫০ বেটে ১ পয়েন্ট। লাইভ টেবিলে সময় কাটালে পয়েন্ট দ্রুত বাড়ে।
স্লট গেমসে প্রতি ৳২০ বেটে ১ পয়েন্ট। স্লটে বেট ছোট হলেও পয়েন্ট দ্রুত জমে কারণ সংখ্যা বেশি হয়।
নির্দিষ্ট ম্যাচ বা টুর্নামেন্টে বেট করলে দ্বিগুণ পয়েন্ট পাওয়া যায়। এই ইভেন্টগুলোতে অংশ নিলে অনেক দ্রুত স্তর বাড়ে।
এক নজরে দেখুন কোন স্তরে কী কী সুবিধা মিলবে
বেটিংয়ে সবসময় জেতা যায় না – এটা সত্যি। কিন্তু 398 BDT-এর ভিআইপি সদস্যদের জন্য খারাপ সপ্তাহেও কিছুটা ফেরত পাওয়ার ব্যবস্থা আছে। প্রতি সোমবার হিসাব করা হয় গত সপ্তাহের নেট লস কতো ছিল, তারপর স্তর অনুযায়ী ৫%-২০% ক্যাশব্যাক সরাসরি ব্যালেন্সে যোগ হয়ে যায়।
এই ক্যাশব্যাকের কোনো জটিল ওয়াগারিং শর্ত নেই। যোগ হওয়ার পরেই সরাসরি বেটে ব্যবহার করা যায় অথবা উইথড্রয়াল করা যায়। রাজশাহীর এক ভিআইপি সদস্য জানিয়েছেন, একটি কঠিন সপ্তাহে তিনি ৳৫,০০০ লস করার পর ৳৬০০ ক্যাশব্যাক পেয়েছিলেন যা পরের সপ্তাহে ফিরে আসতে সাহায্য করেছিল।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের 398 BDT ভিআইপি সদস্যদের সত্যিকারের অভিজ্ঞতা
"গোল্ড হওয়ার পর থেকে বেটিং অভিজ্ঞতাটা সত্যিই আলাদা মনে হয়। ডেডিকেটেড ম্যানেজারের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলা যায়, যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সমাধান হয়।"
"সিলভারে উঠে বুঝলাম পয়েন্ট প্রোগ্রামটা কতটা ভালো। ক্যাশব্যাকের টাকা এখন প্রতি সপ্তাহে আসে। 398 BDT-এ নিয়মিত থাকলেই এমনিতে হয়ে যায়।"
"প্লাটিনামে উইথড্রয়াল ১ ঘণ্টায় হয় – এটা অনেক বড় সুবিধা। আর বুস্টেড অডস থাকায় বড় ম্যাচে 398 BDT-এ বেট রাখলে একটু বেশি পাই।"
398 BDT প্রতি মাসে গোল্ড ও তার উপরের ভিআইপি সদস্যদের জন্য বিশেষ টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। এগুলোতে অংশগ্রহণকারী কম কিন্তু পুরস্কার অনেক বড়। সাধারণ টুর্নামেন্টে যেখানে হাজার হাজার সদস্য অংশ নেন, ভিআইপি টুর্নামেন্টে সেই সংখ্যাটা অনেক কম থাকে।
ময়মনসিংহের ফয়সাল ভাই গত মাসে এরকম একটি গোল্ড ভিআইপি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থান পেয়েছিলেন এবং পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলেন বাড়তি ৳২,৫০০ বোনাস। তার কথায়, "সাধারণ টুর্নামেন্টে শত শত মানুষের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হয়, কিন্তু ভিআইপি টুর্নামেন্টে পরিচিত মুখদের মধ্যে খেলতে ভালো লাগে।"
অর্জিত পয়েন্ট ১২ মাস পর্যন্ত বৈধ থাকে। কোনো একটি ক্যালেন্ডার মাসে কোনো বেটিং কার্যক্রম না থাকলে সেই মাসের পয়েন্ট যোগ হয় না, তবে আগের পয়েন্ট মুছে যায় না।
398 BDT ভিআইপি প্রোগ্রামটি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের নিয়মিত বেটারদের কথা মাথায় রেখে। এখানে বিদেশি প্ল্যাটফর্মের মতো জটিল শর্তাবলী নেই। নিয়মটা একদম সোজা – খেলুন, পয়েন্ট পান, স্তর বাড়ান, সুবিধা উপভোগ করুন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা ভিআইপি সদস্যরা বিভিন্নভাবে পয়েন্ট অর্জন করছেন। কেউ ক্রিকেটে মনোযোগী, কেউ লাইভ ক্যাসিনোতে নিয়মিত। 398 BDT-এর পয়েন্ট সিস্টেম সব ধরনের গেমিংয়ে সমানভাবে প্রযোজ্য, তাই আপনার পছন্দের যেকোনো ক্যাটাগরিতে খেললেই পয়েন্ট জমতে থাকে।
অনেকে জিজ্ঞেস করেন 398 BDT-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম আর হাই রোলার প্রোগ্রামের মধ্যে পার্থক্য কী। সহজ কথায়, ভিআইপি প্রোগ্রামটি পয়েন্ট-ভিত্তিক – আপনি কতবার ও কতটুকু খেলছেন তার উপর নির্ভর করে। হাই রোলার প্রোগ্রামটি ডিপোজিট-ভিত্তিক – মাসে কতো টাকা ডিপোজিট করছেন তার উপর। অনেক সদস্য আছেন যারা একসাথে ভিআইপি ও হাই রোলার – উভয় প্রোগ্রামের সুবিধা পাচ্ছেন।
নতুন সদস্যদের জন্য পরামর্শ হলো ভিআইপি প্রোগ্রামের মাধ্যমে শুরু করুন। কারণ এখানে কোনো ন্যূনতম ডিপোজিটের শর্ত নেই – শুধু নিয়মিত বেটিং করলেই পয়েন্ট জমে। ব্রোঞ্জ থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে এগোনো যায়।
স্তর নির্ধারণ ছাড়াও 398 BDT-এ অর্জিত পয়েন্ট রিডিম করা যায়। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমলে সেগুলো বেটিং ক্রেডিটে রূপান্তর করা যায়। প্রতি ১০০ পয়েন্ট = ৳১০ বেটিং ক্রেডিট হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এই ক্রেডিট দিয়ে বেট করা যায় এবং জেতা টাকা উইথড্রয়ালযোগ্য।
সব মিলিয়ে, 398 BDT-এর ভিআইপি প্রোগ্রামটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে নিয়মিত সদস্যরা প্রতিটি বেটে কিছুটা অতিরিক্ত মূল্য পান। ক্যাশব্যাক, বুস্টেড অডস, দ্রুত পেমেন্ট – এই সুবিধাগুলো একসাথে পেলে দীর্ঘমেয়াদে একজন বেটারের জন্য পার্থক্যটা বেশ বড় হয়ে ওঠে।
নিবন্ধনের পরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিআইপি প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হবেন। আলাদাভাবে কিছু করতে হবে না।